1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
বিএনপির দুপক্ষের দ্বন্দ্বে এক রাতে ২ খুন - Janatar Jagoron

বিএনপির দুপক্ষের দ্বন্দ্বে এক রাতে ২ খুন

  • সর্বশেষ আপডেট: রবিবার, ২২ জুন, ২০২৫
  • ১৭২ বার পঠিত
bnp

রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে রক্তে রঞ্জিত হলো বন্দরের রাত!
অনলাইন ডেস্ক,

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল রক্তাক্ত রূপ নিয়েছে। এক বৃদ্ধকে ছুরিকাঘাতে হত্যার পর প্রতিশোধে অপরপক্ষের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। টানা এই খুনে এলাকাজুড়ে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

শনিবার (২১ জুন) রাত সাড়ে ৯টায় শাহী মসজিদ এলাকায় প্রথম খুন এবং গভীর রাতে সিরাজউদ্দৌলা ক্লাবের সামনে দ্বিতীয় হত্যাকাণ্ড ঘটে।

নিহতরা হলেন—৬০ বছর বয়সী আব্দুল কুদ্দুস, যিনি বন্দর হাফেজীবাগ এলাকার মৃত সাদেক আলীর ছেলে এবং মেহেদী, সালেহ নগর এলাকার জলিল মুন্সির ছেলে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বন্দর রেললাইন অটোস্ট্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কয়েকদিন ধরে মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আবুল কাওসার আশার অনুসারী রনি-জাফর গ্রুপ এবং ২১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর হান্নান সরকারের অনুসারী বাবু-মেহেদী গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। শুক্রবার তাদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষে অন্তত ৮ জন আহত হয়। তারই ধারাবাহিকতায় শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে বাবু-মেহেদী গ্রুপের লোকজন কুদ্দুসকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর ছড়িয়ে পড়লে রনি-জাফর গ্রুপের সমর্থকরা সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ শুরু করে।

পুনরায় রাত ১টার দিকে সিরাজউদ্দৌলা ক্লাব মাঠ এলাকায় বাবু-মেহেদী গ্রুপের লোকজন গেলে রনি-জাফর গ্রুপের সদস্যরা তাদের ধাওয়া দেয়। এ সময় মেহেদীকে ধরে পিটিয়ে ও ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। স্থানীয়রা উদ্ধার করে খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এলাকায় টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে।

বন্দর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাইফুল ইসলাম বলেন, আধিপত্য বিস্তার ঘিরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে কুদ্দুস ও মেহেদী নিহত হয়েছেন। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি এখন পুলিশের নিয়ন্ত্রণে। এলাকায় পুলিশ, ডিবি ও সেনাবাহিনী মোতায়েন আছে।

নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী গণমাধ্যমকে বলেন, রাতেই দুইটি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..